রবিবার, ৪ জুন, ২০১৭

পাইকগাছায় ছেলের অভিযোগের ভিত্তিতে মা’কে আটক;

পাইকগাছায় মায়ের অনৈতিক কর্মকান্ডের ঘটনায় ছেলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ মধ্য-বয়সী দু’নারী-পুরুষকে আটক করে ২৯০ ধারা মতে প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী ও উভয়ের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, উপজেলার সোলাদানা ইউপির গোলবুনিয়ার সরদার বাড়ীর গৃহবধু মিনতি রাণী সরদার (৪৫) এর সাথে একই এলাকার স্বপন সরদার (৪২) এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অবাধ মেলামেশা ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে। মিনতি ও স্বপনের উভয়ের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বহুবার চেষ্টা চালিয়েও এ সম্পর্ক ছিন্ন করা সম্ভব না হওয়ায় এ নিয়ে এলাকার মানুষ অতিষ্ট হয়ে ওঠে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী ঐ গৃহবধুর দু'ছেলের সহায়তায় পুলিশ মিনতি ও স্বপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে এবং মোবাইল রেকর্ডিং সহ দু’জনেই এ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন। এ ঘটনায় মিনতির ছেলে অনুপ কুমার সরদারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ ধৃত নারী-পুরুষকে পেনাল কোর্টের ২৯০ ধারায় প্রসিকিউশন দিয়ে শনিবার আদালতে প্রেরণ করেছে। অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগের স্বীকার করে ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানিয়েছেন, এলাকাবাসী ও তার দু'ছেলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদেরকে আটক করে প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পাইকগাছায় শালিসী বৈঠকে মৎস্যচাষীকে মারপিট করার অভিযোগ; ঘেরের বাসায় অগ্নিসংযোগ

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় মৎস্য ঘেরের মধ্য দিয়ে পানি সরবরাহের ক্যানেল তৈরী করাকে কেন্দ্র করে শালিসী বৈঠকে এক মৎস্য চাষীকে মারপিট করে গুরুতর আহত করার ঘটনা ঘটেছে। শালিসী বৈঠকের পর মৎস্য চাষীর ঘেরের একটি বাসা দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত মৎস্য চাষী থানায় অভিযোগ করেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার গড়ইখালী গ্রামের মৃত মাসুদ হোসেন গাজীর ছেলে মুরাদ হোসেন গাজী (৩৫) বাইনবাড়িয়া মৌজায় বিভিন্ন জমির মালিকদের নিকট থেকে ২০১৭ সাল হতে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৫ বছর মেয়াদী রেজিস্ট্রি ডিডের মাধ্যমে ৪০ বিঘা জমির উপর মৎস্য চাষ করে আসছেন। মুরাদের ঘেরের মধ্য দিয়ে পানি সরবরাহের ক্যানেল তৈরী করাকে কেন্দ্র করে বাইনবাড়িয়া এলাকার মৃত নগেন্দ্রনাথ সানার ছেলে তেজেন্দ্রনাথ সানার সাথে মুরাদের গোলযোগ সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস শনিবার বিকালে ঘের সংলগ্ন এলাকায় শালিসী বৈঠক আহবান করেন। বৈঠক চলাকালীন সময়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে প্রতিপক্ষ আনন্দ মন্ডল মুরাদকে লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেয় এবং প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে মারপিট করে। এতে মুরাদের বাম হাত ভেঙ্গে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন মুরাদকে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের নিকট নিয়ে গেলে এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা মুরাদের ঘেরের একটি বাসা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় রোববার মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে আনন্দ সহ ৬ জনকে বিবাদী করে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অনাকাঙ্খিতভাবে ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পাইকগাছায় দখলমুক্ত করা হলো ১০ একর চরভরাটি সরকারি সম্পত্তি

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় ভূমিদস্যুদের দখলে থাকা ১০ একর চরভরাটি সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী রাড়–লী ক্যাম্প পুলিশের উপস্থিতিতে দীর্ঘদিন বেদখলে থাকা সরকারি সম্পত্তি দখলমূক্ত করেন। উল্লেখ্য, উপজেলার গদাইপুর ও রাড়–লী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কপোতাক্ষ নদের পশ্চিম পাশে হিতামপুর মৌজায় জেগে ওঠা চরভরাটি জমি দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যুদের মধ্যে দখল-পাল্টা দখলের প্রতিযোগিতা চলে আসছিল। ফলে, সরকারি এ সম্পত্তি দীর্ঘদিন সরকারি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অবশেষে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত হওয়ায় প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ৩ জুন, ২০১৭

পাইকগাছায় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর; আহত- ১

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও ব্যবসায়ীকে মারপিট করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় কমলাপুর-মৌখালী বাজারের হারুন গাইনের মুদির দোকানে হামলার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
    থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার কমলাপুর গ্রামের আব্দুল বারিক গাইনের ছেলে হারুন গাইনের কমলাপুর-মৌখালী বাজারে একটি মুদি দোকান রয়েছে। দোকানের পাশে একই এলাকার আর্জান গাজীর ছেলে উজ্জ্বল গাজীর ভাড়া দেওয়া একটি চায়ের দোকান রয়েছে। উজ্জ্বল বিভিন্ন সময়ে বিদ্যুতের মিটার সরিয়ে নেওয়ার জন্য হারুনকে চাঁপ সৃষ্টি করে আসছিল। ঘটনার দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে উজ্জ্বল ও তার লোকজন হারুনের বিদ্যুতের মিটার ভাংচুর করতে থাকলে, এ সময় বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষরা হারুনকে বেধড়ক মারপিট করে এবং মুখের দাড়ি ছিড়ে নেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহত হারুনকে উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, ভাংচুর ও মারপিটের খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ মুদি ব্যবসায়ী বাদী হয়ে উজ্জ্বল সহ ৪ জনকে আসামী করে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছে।

পাইকগাছা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা প্রেসক্লাবের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান শনিবার সকালে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জিএম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক সভাপতি-সেক্রেটারী, নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নবনির্বাচিত সভাপতি এফএমএ রাজ্জাক, সহ-সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দীন আহম্মেদ, যুগ্ম-সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, কোষাধ্যক্ষ ইমদাদুল হক, দপ্তর সম্পাদক øেহেন্দু বিকাশ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রমথ রঞ্জন সানা, সদস্য মোঃ রবিউল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, খায়রুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি বি সরকার, এসএম বাবুল আকতার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, হাফিজুর রহমান রিন্টু, আব্দুল মজিদ, আলাউদ্দীন রাজা, কৃষ্ণ রায় ও আবুল হাশেম। সভায় প্রেসক্লাবের নিজিস্ব অর্থায়নে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

পাইকগাছায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবীতে নাগরিক কমিটির মানববন্ধন

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
    পল্লী বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং এর প্রতিবাদ ও পবিত্র রমজান মাসে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবীতে পাইকগাছা নাগরিক কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় বাজার চৌ-রাস্তা মোড়ে নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ শেখ ফারুক হোসেন, কাউন্সিলর গাজী আব্দুস সালাম, রবি শংকর মন্ডল, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক গাজী সালাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মাসফিয়ার রহমান সবুজ, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, আব্দুর রাজ্জাক বুলি, কৃষ্ণ রায়, গাজী শামছুল হুদা খোকন, গাজী শহিদুল ইসলাম খোকন, গাজী আব্দুস সামাদ, আমিন উদ্দীন সানা, সাজ্জাত আলী সরদার, মাওঃ রইসুল ইসলাম, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয় সরদার, আব্দুর রাজ্জাক সরদার, আলহাজ্ব লেয়াকত আলী, সাবেক কাউন্সিলর রাফেজা খানম, মমতাজ পারভীন, শেখ আব্দুল হাফিজ, স ম আব্দুল জব্বার ও আছাদুল ইসলাম। মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তরা বলেন, বর্তমান সরকার যেখানে অতিতের যে কোন সময়ের চেয়ে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে, সেখানে দেশের কোথাও ভয়াবহ লোডশেডিং থাকার কথা নয়, অথচ বর্তমান ডিজিএম যোগদানের পর হতে এলাকায় ভয়াবহ লোডশেডিং শুরু হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে লোডশেডিং এর মাত্রা আরো বাড়িয়ে ডিজিএম ইচ্ছা করেই সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করছেন। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আগামী ১ সপ্তাহ পর ডিজিএম’এর অপসারণের দাবীতে নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলন করা হবে বলে মানববন্ধনে নাগরিক নেতৃবৃন্দ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন।

পাইকগাছায় আলোচিত মিনহাজ নদীর অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ কাজ শুরু করেছেন উপজেলা প্রশাসন

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছার আলোচিত মিনহাজ নদী থেকে অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ কাজ শুরু করেছেন স্থানীয় প্রশাসন। শনিবার সকালে নদীর কয়েকটি স্থানের নেট-পাটা অপসারণ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফকরুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী, গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    উল্লেখ্য, উপজেলার গড়ইখালী, চাঁদখালী ও লস্কর ইউনিয়নে অবস্থানরত ২৫১ একর আয়তনের মিনহাজ নদী দিয়ে কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের পানি নিষ্কাসন হয়ে থাকে। অত্র এলাকার হাজার হাজার বিঘা চিংড়ী ঘেরের চিংড়ী ও ফসল উৎপাদনের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে মিনহাজ নদী। কিন্তু বদ্ধ জলমহল হিসাবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীটি ইজারা দেয়ার কারণে পানি সরবরাহ মারাত্মক ভাবে ব্যহত হয়। বিশেষ করে মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির অনুকূলে ইজারা দেয়া হলেও সমিতির নিকট থেকে অসংখ্য ব্যক্তিরা সার্ব লীজ নিয়ে খন্ড খন্ড করে নেট-পাটা বসিয়ে মাছ চাষ করায় পানি সরবরাহ বিঘিœত হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাসন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ২ বছর আগে চাঁদখালী ও লস্কর ইউনিয়ন সহ কয়েকটি ইউনিয়নের বিস্তির্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। কয়েক মাস তলিয়ে থাকায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ ও ফসলের ক্ষতি হয়। বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নদীটি পূর্বগজালিয়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির অনুকূলে ইজারা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে অংশীদারিত্ব নিয়ে আইনজীবী এবিএম এনামুল হক ও সেনা সদস্য জিএম আব্দুর রবের সাথে বিরোধ চলে আসছে। দখল ও কতৃত্ব নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ইতোমধ্যে একাধিক হামলা, মামলা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গত ৯ মে থেকে নদী এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা ও আইন শৃংখলা সভায় অধিক গুরুত্ব পায়। আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাসন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার জন্য সভায় সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভরা বর্ষা মৌসুমের আগেই মিনহাজ নদীর অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ কাজ শুরু করা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফকরুল হাসান জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ২ জুন, ২০১৭

পাইকগাছায় জামায়াতের আমির ও ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ কামালের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও আ’লীগ নেতার বাড়ী ভাংচুরের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি ॥
খুলনার পাইকগাছায় উপজেলা জামায়াতের আমির ও ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও আ’লীগ নেতার বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর, মারপিটসহ ক্ষয়-ক্ষতির অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল।
জানাগেছে, পূর্ব শত্রুুতার জের ধরে ক’দিন আগে জামায়াতের আমিরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের পর সর্বশেষ বৃহস্পতিবার শেষ বিকেলে উপজেলার মালথে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পূর্ব শত্রুতা উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা ও আ’লীগ নেতা শেখ জামাল হোসেন অভিযোগ করেছেন উপজেলা জামায়াতের আমির ও ভাইস চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদ্রোহসহ একাধিক মামলার আসামী মাওঃ কামাল হোসেনের নেতৃত্¦ে ছাত্র-শিবিরের ক্যাডাররা বৃহস্পতিবার বিকেলে তার বাড়ীতে হামলা চালিয়ে তার স্ত্রীকে মারপিট, ঘরের জানালা-দরজা, পাচালি ভাংচুর, গাছপালা কর্তনকরে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করেছে। জানাগেছে, জামায়াতের আমিরসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গত ২২ মে জামাল হোসেনের স্ত্রী আছিয়া জামালের থানায় দায়ের করা ৪২ নং মামলা করলে ক্ষীপ্ত হয়ে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। স্থানীয় একাধিক সুত্র জানিয়েছেন-বিবাদমান দু’পক্ষ একই পরিবার এবং উভয়ের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। পুলিশ জানিয়েছেন-মাওঃ কামালের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ জি,আর ৪০/১৫, ২০৫/১৭ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল শেখ জামাল হোসেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ কামাল হোসেনসহ ৯ ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। এ অভিযোগ প্রসংগে বিভিন্ন মামলায় জামিনে থাকার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের আমির ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ কামাল হোসেন বলেন-জায়গা-জমিসহ একটি চলাচলের বিরোধপূর্ণ রাস্তাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে তিনি মারপিটের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

পাইকগাছা পৌর ছাত্রলীগের কমিটি গঠন #রাজু সভাপতি, #সম্পাদক রনি


পৌর প্রতিনিধি॥ খুলনার পাইকগাছায় দীর্ঘদিন পর পৌর ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হলো। মাসুদ পারভেজ রাজুকে সভাপতি ও রায়হান পারভেজ রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে পৌর ছাত্রলীগের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরাফাত হোসেন পল্টু ও সাধারণ সম্পাদক মুসফিকুর রহমান সাগরের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শুক্রবার এই কমিটি ঘোষণা করেন। ৬ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহসভাপতি পদে রিভু রায় এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে পল্লব দেব নাথ, মোহাম্মদ রাফেজ উদ্দিন ও সৌরভ গাইনেেক মনোনীত হয়েছেন। উল্লেখ্য প্রায় সাত বছর আগে মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি ও লিটু আনামকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়েছিল। নবগঠিত কমিটির সভাপতি মাসুদ পারভেজ রাজু- স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. শেখ মোঃ নূরুল হক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরাফাত হোসেন পল্টু ও সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাগরকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

পাইকগাছায় মিনহাজ নদীর দখল কতৃত্ব নিয়ে দায়ের করা একাধিক মামলার কারণে এলাকা এখন পুরুষ শূন্য

((সংঘাত- সংঘর্ষ এড়াতে ৯ মে থেকে বলবৎ রয়েছে ১৪৪ ধারা))
পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছার আলোচিত মিনহাজ নদী নিয়ে দু’পক্ষের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার এড়াতে এলাকা এখন পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। দখল কর্তৃত্য ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আইনজীবী এবিএম এনামুল হক ও সেনা সদস্য আব্দুর রব গংদের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি ১০ থেকে ১৫টি মামলার ঘটনা ঘটে। এসব মামলায় অসংখ্য নিরিহ এলাকাবাসীকে আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে মিনহাজ নদী এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে।
অনুরূপভাবে, অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় এবিএম এনামুল হক জেল হাজতে থাকায় তার পক্ষের লোকজন গ্রেফতার এড়াতে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এতে করে এলাকা অনেকটাই পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। তবে প্রতিপক্ষ আব্দুর রব গংদের আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন এনামুল গংদের লোকজন।
সূত্রমতে, উপজেলার গড়ইখালী, লস্কর ও চাঁদখালী ইউনিয়নের আলোচিত মিনহাজ (বদ্ধ জলমহল) নদী লস্কর ও গড়ইখালীর সীমান্তবর্তী মিনহাজ স্লুইচ গেট হতে লক্ষ্মীখোলা পর্যন্ত বি¯তৃত। ২৫১ একর আয়তনের নদীটি ১৪২২ হতে ১৪২৪ সন পর্যন্ত ইজারা নেয় পূর্বগজালিয়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি। বিশাল আয়তনের নদীটি নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি দারস্থ হয় স্থানীয় আইনজীবী আমিরপুর গ্রামের মাহমুদ গাজীর ছেলে এবিএম এনামুল হকের। রক্ষনাবেক্ষণ ও শেয়ার চুক্তিনামার মাধ্যমে মিনহাজ নদীতে নিজের কতৃত্ব স্থাপন করেন এবিএম এনামুল। পরবর্তীতে দখল, কতৃত্ব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সেনা সদস্য জিএম আব্দুর রব এর সাথে চরম বিরোধ সৃষ্টি হয় এনামুল গংদের। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে একাধিক হামলা, মামলা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসন গত ৯ মে মিনহাজ নদী এলাকায় জারি করেন ১৪৪ ধারা। যা এখনো বলবৎ রয়েছে। বর্তমানে ২৫১ একর আয়তনের নদীটি ৪টি অংশে ভাগ করে ৪টি গ্র“পের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গজালিয়ার ২টি অংশ রয়েছে সমিতির অনুকূলে। মাঝে চৌমহনী বাজার থেকে বগুলারচক স্কুল পর্যন্ত রয়েছে রবের অনুকুলে। মিনহাজ গেট থেকে বগুলারচক স্কুল পর্যন্ত রয়েছে এনামুলের অনুকুলে। মিনহাজ ওয়াপদা থেকে কানাখালী ব্রীজ পর্যন্ত একটি অংশ রয়েছে সঞ্জীব নামে এক ব্যক্তির অনুকুলে। এ ব্যাপারে এবিএম এনামুল হকের স্ত্রী গাজী সুলতানা পারভীন জানান, সেনা সদস্য আব্দুর রব গংরা আমার স্বামী সহ আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০টি হয়রানি মূলক মামলা করেছে। এসব মামলার কারণে এলাকা এখন পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। অথচ এনামুল গংদের দায়ের করা মামলার আব্দুর রব গং অনুসারী আসামীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এদিকে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা বলবৎ রাখার দাবী জানিয়েছেন নিরিহ সাধারণ মানুষ।

পাইকগাছা পৌর অভ্যন্তরে নবনির্মিত শিববাটী ব্রীজ সংযোগ সড়কের উদ্বোধন

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা পৌর অভ্যন্তরে নবনির্মিত শিববাটী ব্রীজ সংযোগ সড়কের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর নবনির্মিত সংযোগ সড়কের উদ্বোধন করেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হকের সহযোগিতায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। প্যানেল মেয়র এসএম ইমদাদুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার রায়, কাউন্সিলর আসমা আহম্মেদ, কবিতা দাশ, এসএম তৈয়েবুর রহমান, কাজী নেয়ামুল হুদা কামাল, রবি শংকর মন্ডল, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দাউদ শরীফ, প্রভাষক ময়নুল ইসলাম, বিকাশ সানা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পাইকগাছায় পল্লী বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং এ সাধারণ মানুষের সীমাহীন দূর্ভোগ## আজ নাগরিক কমিটির মানববন্ধন


পাইকগাছায় পল্লী বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং এর কারণে সীমাহীন দূর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পবিত্র রমজান মাসে লোডশেডিং এর কারণে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন রোজাদাররা। প্রায় প্রতিদিন ইফতারী, তারাবীহ ও সাহ্রীর সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। এদিকে পবিত্র রমজান মাসে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পল্লী বিদ্যুতের স্থানীয় জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের অপসারণের দাবীতে আজ শনিবার সকাল ১১ টায় পৌর বাজার চৌরাস্তা মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচির আহ্বান করেছে পাইকগাছা নাগরিক কমিটি। নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর জানান, ইতোপূর্বে রমজান মাসে কোন সময় বিদ্যুতের এতো সমস্যা দেখা যায়নি। বিশেষ করে ইফতারী, তারাবীহ ও সাহরীর সময় কখনো বিদ্যুৎ যেতে দেখেনি। কিন্তু বর্তমান ডিজিএম যোগদান করার পর থেকে পাইকগাছা-কয়রায় প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ কিংবা কারিগরী ত্র“টির কারণে প্রায় সময় দিন-রাত বিদ্যুৎ থাকে না। এ ছাড়া রমজান মাসের শুরু থেকেই রোজাদারদের প্রয়োজনীয় সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে করে ধর্মপ্রাণ রোজাদাররা চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও ভয়াবহ লোডশেডিং এর কারণে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ব্যবসা বাণিজ্য ও এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড। এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ বর্তমান ডিজিএম যোগদান করার পর বিদ্যুৎ এর এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ রমজান মাসে বিদ্যুৎ নিয়ে তালবাহানা করছে। এ জন্য শনিবার সকালে পৌর সদরে নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে পবিত্র রমজান মাসে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বর্তমান ডিজিএম’এর অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি আহ্বান করা হয়েছে বলে নাগরিক নেতা মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন।
পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥

বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০১৭

পাইকগাছায় ভদ্রা নদীতে ভয়াবহ ভাঙ্গন; হুমকিতে দেলুটির কালীনগর ওয়াপদার বেড়িবাঁধ

বিশেষ প্রতিনিধি
খুলনার পাইকগাছায় ভদ্রা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে ফের হুমকির মুখে পড়েছে দেলুটি ইউনিয়নের কালীনগর ওয়াপদার বেড়ি বাঁধ। গত বছর থেকে ভাঙ্গন শুরু হলেও ঘুর্ণি ঝড় মোরার প্রভাবে কয়েক দিনের প্রবল ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ ওয়াপদার বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পাউবো ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করে আসছেন। বৃহস্পতিবার সকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাঁধ পরিদর্শন করে বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন এলাকবাসীকে। অনুরূপভাবে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন ৩ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের ২২নং পোল্ডারের কালীনগর ভদ্রা নদীর ওয়াপদার বাঁধে কয়েক দিন ধরে আবারো ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। প্রায় আধা কিলোমিটার জুড়ে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় ব্যাপক সম্পদ-সম্পত্তির ক্ষতির আশংকায় জনগণ আতংকিত হয়ে পড়েছে। ভাঙ্গনরোধে স্থানীয় জনগণ স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছে। যা ভাঙ্গনরোধের জন্য যথেষ্ঠ নয়। বিষয়টি জানার পর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফকরুল হাসান, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী পিযুষ কুমার কুন্ডু ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনের প্রবল ভাঙ্গনে ইউনিয়নের কালীনগর ওয়াপদার বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। যেকোন মুহুর্তে সম্পূর্ণ বাঁধটি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। ভাঙ্গনরোধে ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে। তবে স্থানীয় এ উদ্যোগ ভাঙ্গনরোধের জন্য যথেষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাঁধ পরিদর্শন করে আগামী ২/১দিনের মধ্যে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য আশ্বস্ত করেছেন। এ ক্ষেত্রে এলাকাবাসীর দাবী শুধু আশ্বস্ত নয় এলাকার বিপুল জনগোষ্ঠি ও সম্পদ রক্ষার জন্য বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ সহ ভাঙ্গনরোধে দ্রুত টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।