শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
খুলনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েত এর উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং হামলাকারীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন পাইকগাছা উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতি দাতারা হলেন, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম তারিক, আবুল হোসেন, তৌহিদুজ্জামান মুকুল, ইমরান সরদার, এসএম জামশেদ হোসেন, বিএম আকিজ উদ্দীন, আজহারুল সানা, আছাদুজ্জামান কেরামত, আজহারুল গাজী, হারুণ সরদার, আছাদুর জামান শামিম, রবিউল ইসলাম, শেখ বেলাল হোসেন, শেখ ইকবাল হোসেন, নজরুল ইসলাম, কাশেম জোয়াদ্দার, বাবুল সরদার, বুলবুল আহম্মেদ, খলিল বিশ্বাস, মাহমুদুল হক মুক্ত, জহিরুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, তরিকুল ইসলাম, বিপ্লব, গোলাম রব্বানী, আব্দুল কুদ্দুস, জুয়েল, আল-মামুন, কামরুজ্জামান টুকু, সিজার বাবু, আসাদ ও বাবলু গোলদার।

পাইকগাছায় উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী; চলছে নিরব চাঁদাবাজী ও ব্লাকমেইলিং

এন. ইসলাম সাগর, পাইকগাছা (খুলনা)॥
পাইকগাছা উপজলোয় উদ্বগেজনকহারে হলুদ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব সাংবাদকি ও মানবাধিকার কর্মীদের দাপটে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে প্রকৃত সংবাদকমীরা। এ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে চলছে নিরব চাঁদাবাজী। প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব কর্মকান্ডে অতিষ্ট সরকারি চাকুরীজীবী, ঘের মালিক, শিক্ষকসহ নানা শ্রেণীপেশার মানুষ। কেউ কেউ ফেসবুকে একটি পেজ খুলে বিভিন্ন ব্যক্তিদের হয়রাণীকর লেখা পোষ্ট করে ব্লাকমেইলিং এর মত ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। এসব কর্মকান্ড থেকে পরিত্রাণ পেতে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগীরা।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব নামধারী হলুদ সাংবাদকিরা নম্বরবিহিন মোটর সাইকলেরে প্রেস লিখে নানা অপর্কম ও চাঁদাবাজি চালিয়ে চাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাদরে যন্ত্রণার অতষ্ঠি হয়ে পড়েেছ উপজলো প্রশাসন, ঘের মালিক, শিক্ষকসহ নানাশ্রেণী পেশার মানুষ। অনেকে হলুদ সাংবাদকিরে ভয়ে আতঙ্কতি হয়ে মুখ খুলতে নারাজ। র্বতমানে এসব সাংবাদিক নামধারীরা প্রশাসনের দালালী থেকে শুরু করে চাকুরী দেয়ার প্রলোভনও দেখাচ্ছে নীরিহ ব্যক্তিদের। অনিয়মিত অথবা কালে ভদ্রে পকাশ হয় এমন সব পত্রকিার র্কাড ঝুলিয়ে বিভিন্ন দফতরের র্কমচারী ও র্কমর্কতাদরে ভয়ভীতি প্রর্দশনর্পূবক চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও মিডিয়া র্কতৃপক্ষ বিষয়টি জেনেও কোনো পদক্ষপে নিচ্ছে না। এতে প্রকৃত সংবাদকমীরা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে অহরহ। পাইকগাছা উপজলোয় হলুদ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের আনাগোনা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে সাধারণ মানুষ এদের ভয়ে ভীত হয়ে পড়ছে। উপজলোর  প্রত্যন্ত এলাকার রাস্তাঘাট ও উপজলো সদরে দাপেিয় বড়োচ্ছে এসব সাংবাদিক। এসব হলুদ সাংবাদকিরা কোন ধরনরে সংবাদ লেখাতো দূরের কথা ঠিকভাবে গুছিয়ে কথা পর্যন্ত বলতে পারেনা। অথছ তারা বিভিন্ন ভাবে সাংবাদিক হিসবে নিজেদের পরচিয় তুলে ধরছেন, সাধারণ মানুষ কিংবা উপজলোর র্ঊধ্বতন র্কতৃপক্ষের কাছে। এরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দিলেও গিয়ে হাজির হয়ে সামনের সাড়িতে বসে পরে, এমনকি আয়োজকদের কাছে টাকা দাবি করে। টাকা নিয়ে সটকে পরে নিউজের কোন ধার ধারে না। র্বতমানে বেপরোয়া হয়ে উছেেঠ ওই সকল হলুদ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ধারীরা। পাইকগাছার মফস্বল থেকে প্রতিদিনই নীরব চাঁদাবাজীর খবর আসলেও কেউ মুখ খুলছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ঘের মালিক এ প্রতিনিধিকে জানান কয়েকদিন পর পর এসব সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ে টাকা চাইতে আসে। কোন অপরাধ না করেও এসব সাংবাদিকদের তারা গোপনে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রশাসনের কিছু কর্তা-ব্যক্তিদের সাথেও এসব সাংবাদিকদের দহরম-মহরম দেখা যায়। ইতোমধ্যে প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা সরকার প্রণয়নের কাজ শেষ করেছে। মিডিয়াভূক্ত প্রতিটি পত্রিকার অডিট শেষ করেছে। অবিলম্বে তা প্রকাশের মধ্যে দিয়ে পাইকগাছার অভজ্ঞি মহলের দাবী সরকারীভাবে টিম গঠন করে তথাকথতি হলুদ সাংবাদকি পরচিয় দানকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে পাইকগাছা প্রেসক্লাব, থানা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান। এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব বলেন-সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এ পেশাকে যারা কলুষিত করছে তাদের বিরুদ্ধে কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে সদরের প্রেসক্লাবকে এ বিষয়ে সচেতন থাকার আহবান জানিয়ে দ্রুত ওয়েজবোর্ডের আওতায় প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা প্রনয়নেরও তাাগিদ দেন তিনি।

পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারী সমিতির নবনির্মিত কার্যালয়ের উদ্বোধন

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির নবনির্মিত কার্যালয়ের উদ্বোধনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শনিবার সকালে সমিতির দ্বিতল ভবনের নবনির্মিত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমিতির সভাপতি আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য শেখ কামরুল হাসান টিপু। সন্তোষ কুমার সরদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কাউন্সিলর শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, আড়ৎদারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স ম আব্দুর রব, সাবেক সভাপতি শামিম হোসেন, ইউপি সদস্য আবু হাসান, মহিলা আ’লীগনেতা জুলি শেখ, বেলাল হোসেন, জাকির হোসেন, মেছের আলী সানা ও আনিছুর রহমান। অনুষ্ঠানে সমিতির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ সদস্য শেখ কামরুল হাসান টিপুকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

এবার বৃক্ষমানবের পাশে এমপি নূরুল হক

প্রধানমন্ত্রী যেখানে আবুলের চিকিৎসার দায়ভার নিতে পারেন, সেখানে আমি সংসদ সদস্য হিসাবে আবুলের যে কোন সমস্যা সমাধানে পাশে থাকবো
এন ইসলাম সাগর, পাইকগাছা, খুলনা।
এবার বৃক্ষমানব আবুল বাজনদারের পাশে এসে দাড়িয়েছেন পাইকগাছা-কয়রার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হক। বসতবাড়ী নির্মাণকাজে বাঁধা প্রদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এমপি নূরুল হকের সাথে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সৌজন্য দেখা করতে গেলে সৃষ্ঠ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আবুলের পাশে থাকার ঘোষণা দেন এমপি নূরুল হক। এ সময় এমপি হক বলেন, আবুলের বিরল রোগের চিকিৎসা এদেশে হবে কেউ কখনো কল্পনা করেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুলের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করায় বিরল রোগ থেকে মুক্তি পেতে চলেছে আবুল। এভাবেই প্রধানমন্ত্রী বারবার মানবতা প্রতিষ্ঠায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তিনি বলেন, সর্বশেষ মায়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবারও মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর মানবিক এ কর্মকান্ডের স্বীকৃতি স্বরুপ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে মাদার অব হিউম্যানিটি আখ্যায়িত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী যেখানে আবুলের বিরল রোগের চিকিৎসার দায়ভার নিতে পারেন, সেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসাবে আবুলের যে কোন সমস্যার সমাধানে তার পাশে থাকবো বলে তিনি মন্তব্য করেন। এসময় তিনি আবুলের বসতবাড়ীর নির্মাণ কাজ শান্তিপূর্ণ ভাবে করতে পারেন এ জন্য থানার ওসি’কে নির্দেশ দেন।
    উল্লেখ্য, পাইকগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড সরল গ্রামের হতদরিদ্র মানিক বাজনদারের ছেলে আবুল বাজনদার (২৭) দীর্ঘদিন বিরল রোগে ভুগতেছিলেন। তার যখন ১৫ বছর বয়স তখন আঁচিল থেকে তার হাতে-পায়ে গাছের শিকড়ের ন্যায় মাংস বৃদ্ধি পেতে থাকে। ধীরে ধীরে তা লম্বা হয়ে গাছের শিকড়ের আকৃতি ধারণ করে। বিরল এ রোগের কারণে সারা পৃথিবীতে সে বৃক্ষমানব হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। ভারত ও দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করে কোন ফল লাভ না হওয়ায় বিরল রোগ থেকে মুক্তির আশা ছেড়ে দেয় আবুল বাজনদার। বিরল এ রোগের সচিত্র প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ ও টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আবুলের চিকিৎসার দায়ভার গ্রহণ করেন বর্তমান সরকার। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয় আবুল। বার্ন ইউনিটের ডাঃ সামন্ত লালের তত্ত্বাবধায়নে সেখানে প্রায় ২ বছর চিকিৎসাধীন রয়েছে আবুল। ২০১৬ সালের ২০ জানুয়ারি তার প্রথম অপারেশন করা হয়। এ পর্যন্ত তার দুই হাতে ১৮ এবং দুই পায়ে ৬ বার সহ মোট ২৪ বার সফল অপারেশন করা হয়েছে। এখন অনেকটাই স্বাভাবিক হলেও তার হাতে-পায়ে শক্ত মাংস বিশেষ রয়ে গেছে, ফলে এখনো কতদিন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন থাকতে হবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলেনি বলে আবুল জানিয়েছে। বর্তমানে আবুলের ৪ বছরের জান্নাতুল ফেরদৌস তাহিরা নামে একটি কণ্যা রয়েছে। তার পাশে থেকে সার্বক্ষণিক সেবা করে যাচ্ছেন মমতাময়ী মা আমেনা বেগম ও অনন্যা প্রেমিকা স্ত্রী হালিমা বেগম। এদিকে তার চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা হওয়ায় সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, গণমাধ্যম, এলাকা ও দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। আবুল পরিবারের মাথা গোজার জন্য এক শতক জমি না থাকায় ভাড়াটিয়া খুবড়ে ঘরে বসবাস করে আসছে। এ জন্য চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় অনেকের সহযোগিতায় বসবাসের জন্য পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সরল মৌজায় সামান্য কয়েক শতক জমি কেনে আবুল। কিন্তু একদিকে জমির মালিক মাখন লাল গংরা যাতায়াতের পথ বের করে দেয়নি। অপরদিকে ক্রয়কৃত জমির পাশের প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম বসতবাড়ী নির্মাণ কাজে বাঁধা প্রদান করায় বিপাকে পড়ে আবুল ও তার পরিবার। ইতোমধ্যে আবুলের পরিবার বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফকরুল হাসান, ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবুল নিজেই স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হকের সাথে দেখা করে বিষয়টি অবহিত করেন। এ ব্যাপারে ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, আবুলের জমি ক্রয় করা সঠিক রয়েছে। তবে জমির মালিক যাতায়াতের পথ বের করে না দেওয়ায় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিরসনের লক্ষে আমি কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জমির মালিক বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছে। আশা করছি তিনি দেশে আসলে দু’একদিনের মধ্যে বিষয়টি নিরসন হয়ে যাবে।

সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

স্ত্রী দাবী করে ল্যাব সহকারীকে হয়রানী করার অভিযোগ; এফিডেভিটের মাধ্যমে বাতিল ঘোষণা

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে রেখা রাণী বিশ্বাস নামে এক গৃহবধূ, স্ত্রী দাবী করে কিশোর কুমার রায় নামে এক ল্যাব সহকারীকে মামলা দিয়ে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গৃহবধূ রেখা রাণীর তঞ্চকীপূর্ণ, এফিডেভিট, জাল উল্লেখ করে উল্লেখিত এফিডেভিট রোববার আইনজীবী জিএম আব্দুস সাত্তারের মাধ্যমে পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে বাতিল ঘোষণা করেছে ল্যাব সহকারী কিশোর কুমার রায়। এ ধরণের হয়রানী থেকে রক্ষা পেতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ল্যাব সহকারী ও তার পরিবার। ল্যাব সহকারী কিশোর কুমার রায় দাকোপের চুনকুঁড়ি গ্রামের অসিত বরণ রায়ের ছেলে ও পাইকগাছা উপজেলা সদরের সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারের জামাতা। কিশোর রায় জানান, গত ১২/১৩ বছর পূর্বে পাইকগাছার সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ের সাথে আমার বিয়ে হয়। আমাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে, সে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে লেখাপড়া করছে। এ ছাড়া আমার স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃস্বত্বা। দাম্পত্ত জীবনে আমরা সুখের সাথে বসবাস করছি। আমি দীর্ঘদিন চালনা কে সি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ল্যাব সহকারী হিসাবে কর্মরত রয়েছি। অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ডঃ অচিন্ত কুমার মন্ডলের সাথে আমার গত ২ বছর যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ আদায় ও আমার ভবিষ্যৎ ক্ষতিকরার লক্ষ্যে প্রধান শিক্ষক অচিন্ত যোগসাজস করে যশোর অভয়নগরের নওয়াপাড়া এলাকার প্রোমথ বিশ্বাসের মেয়ে রেখা রানী বিশ্বাসকে দিয়ে ২৮/৩/২০১৭ ইং তারিখে ৭০৮ নং বিবাহ সংক্রান্ত এফিডেভিট সৃষ্টি করে। এমনকি এফিডেভিটকে ব্যবহার করে রেখা রানী বাদী হয়ে আমার বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত (সদর), যশোর এ মামলা করে হয়রানী করে আসছে। উক্ত এফিডেভিটটি সম্পূর্ণ জাল, তঞ্চকী, অকার্যকরী, ভূয়া ও যোগসাজসী। কারণ আমি রেখা রানী নামে ওই গৃহবধূকে চিনি না, বা আমার সাথে কোন পরিচয় কিংবা সম্পর্ক নাই। এমনকি সংশ্লিষ্ট নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে আমি যাই নাই, উক্ত এফিডেভিটে স্বাক্ষরও আমার নহে। সেহেতু আমাকে স্বামী হিসাবে দাবী করিবার তার আইনগত কোন অধিকার নাই। এ জন্য ২৮ মার্চের ৭০৮ নং বিবাহ সংক্রান্ত এফিডেভিটটি গত রোববার পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে বাতিল ঘোষণা করেছি। যার এফিডেভিট নং ২৫৮ তাং- ২৪/৯/২০১৭ ইং।

পাইকগাছায় অভিনব কায়দায় গাঁজা বহনকালে আটক-১

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় ৭৫০ গ্রাম গাঁজা সহ ১ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আটক গাঁজা সরবরাহকারী মোঃ হাফিজুল ইসলাম (৩০) সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার ফকরাবাদ গ্রামের লতিফ গাজীর ছেলে। ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, আটক হাফিজুল পেশায় একজন মটর সাইকেল চালক। সে গত ২ বছর যাবৎ তালার শাহাপুর এলাকায় ভাড়াটিয়া বাড়িতে বসবাস করে আসছে। ঘটনার দিন সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে হাফিজুল অভিনব কায়দায় সাড়ে ৭শ গ্রাম একটি গাঁজার প্যাকেট তার পায়ের উরুর সাথে বেঁধে মটর সাইকেল যোগে সরবরাহ করতে যাচ্ছিল। এ খবর জানতে পেরে থানার এসআই রফিকুল ইসলাম ও এএসআই জাহাঙ্গীর আলম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে কপিলমুনি সংলগ্ন গোলাবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে গাঁজা সহ হাফিজুলকে আটক করে। তবে এ সময় অপর কয়েকজন আসামী পালিয়ে যায়।

পাইকগাছার ১৪৩টি পূজা মন্ডপে এমপি নূরুল হকের আর্থিক অনুদান প্রদান

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় শারদীয়া দূর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার ১৪৩টি পূজা মন্ডপে আর্থিক সহায়তার অর্থ প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হক প্রত্যেক মন্দির কমিটির সভাপতি, সম্পাদকের নিকট সরকারি সহায়তার ১৫ হাজার এবং ব্যক্তিগত নগদ ১ হাজার টাকা প্রদান করেন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরণ সাধুর সভাপতিত্বে ও সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাসের পরিচালনায় বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, আ’লীগনেতা রতন ভদ্র, উপাধ্যক্ষ আফসার আলী, আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায়, সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন। বক্তব্য রাখেন, পূজা পরিষদ নেতা বিজন বিহারী সরকার, প্রাণ কৃষ্ণ দাশ, বিভূতি ভূষণ সানা, কৃষ্ণপদ মন্ডল, হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান, বি সরকার, øেহেন্দু বিকাশ, জগদীশ চন্দ্র রায়, দেবব্রত রায়, বাবু রাম মন্ডল ও মৃত্যুঞ্জয় সরদার।

বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পাইকগাছায় ঘুষ, দূর্নীতি মুক্ত টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নৈশ প্রহরী নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন

মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীরের ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন
বিশেষ প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছার টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও নৈশ প্রহরী নিয়োগ পরীক্ষা পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করা হয়েছে। দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যম ব্যক্তি ও সুশীল সমাজের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ ঘুষ, দূর্নীতি ও উৎকোচ মুক্ত নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করেন টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর। বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৪জন ও নৈশ প্রহরী পদে ৭ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। নিয়োগ পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন, পাইকগাছা কলেজের অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, ফসিয়ার রহমান মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবদীন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিএমএম আজাহারুল ইসলাম, নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার সরকার, নারায়ণ চন্দ্র শিকারী, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আলী মোড়ল, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, কাউন্সিলর এসএম তৈয়েবুর রহমান, কবিতা দাশ, মৎস্য আড়ৎদারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স ম আব্দুর রব, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দীন আহম্মেদ, যুগ্ম-সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, সাবেক সভাপতি জিএ গফুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান রিন্টু, এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, সাংবাদিক ইমদাদুল হক সহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত সুশীল সমাজ নেতৃবৃন্দের পরামর্শ মোতাবেক তাৎক্ষনিক প্রশ্নপত্র তৈরী করার মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, পরীক্ষার আগে মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পরীক্ষায় উপস্থিত থাকার জন্য সুশীল সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। এর আগেও তিনি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পৌরসভার নিয়োগ দিয়ে নজির বিহিন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

জেলা পরিষদ সদস্য নাহারের উপর হামলা; ইউপি সদস্য সহ আসামী- ১০, আটক-১

বিশেষ প্রতিনিধি ॥
খুলনা জেলা পরিষদের মহিলা সদস্যের উপর হামলা, শ্লীলতাহানী ও বঙ্গবন্ধু এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ছবি ভাংচুর করার অভিযোগে ইউপি সদস্য সহ ১০ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করা হয়েছে। পুলিশ ১জনকে আটক করেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাহমুদকাটী বাজারস্থ জেলা পরিষদ সদস্যের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
 মামলা সূত্রে  জানাগেছে, জেলা পরিষদ সদস্য নাহার আক্তারের সাথে নোয়াকাটী গ্রামের রশিদ গোলদারের ছেলে ইউপি সদস্য রাজিব গোলদারের সাথে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে নাহার আক্তার ইতোপূর্বে গত ১৭ আগস্ট রাজিব গোলদারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করে, যার নং- ৯০৫। এদিকে সোমবার রাত ৯টার দিকে মাহমুদকাটী বাজারস্থ নিজ কার্যালয়ের পাশে হাবিব গোলদারের দোকানে জুয়া খেলা নিয়ে হট্টগোল হয়। এ সময় নাহার আক্তার ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে ইউপি সদস্য ও তার লোকজন জেলা পরিষদ সদস্যকে ধাওয়া করে। এ সময় নাহার আক্তার নিজ কার্যালয়ে গিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষরা তার উপর হামলা করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। এছাড়াও কার্যালয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ছবি ভাংচুর করে। এ ঘটনায় ওই রাতেই জেলা পরিষদ সদস্য নাহার আক্তার বাদী হয়ে ইউপি সদস্য রাজিব গোলদার সহ ১০ জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় মামলা করে। যার নং- ৩৪, তাং- ১৮/০৯/১৭ ইং। এ ব্যাপারে ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, এ ঘটনায় উত্তম চক্রবর্তী নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। অপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে থানা পুলিশের এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পাইকগাছায় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা উপেক্ষা করে আশালতা ক্লিনিকে চলছে সকল কার্যক্রম

বিশেষ প্রতিনিধি।।
পাইকগাছার আশালতা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা উপেক্ষা করে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  গত কয়েক মাস আগে পরিদর্শন করে ক্লিনিকের  সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্য বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনা উপেক্ষার বিষয়টি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করলেও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী। সূত্রমতে, উপজেলার রাড়–লী ইউনিয়নের বাঁকা বাজারের মধ্যবর্তী স্থানে সরুগলির মধ্যে যেনতেন একটি দ্বিতল ভবনে পরিচালিত হয়ে আসছে আশালতা ক্লিনিকের কার্যক্রম। ক্লিনিকের  রেজি নং থাকলেও নেই কোন নিয়মিত ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য সরঞ্জাম। একটি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী যা যা থাকার দরকার তার নূন্যতম কোন কিছুই নেই ক্লিনিকটিতে। ক্লিনিকটি প্রত্যান্ত এলাকায় হওয়ায় কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন এলাকার অসহায় সাধারণ রোগীদেরকে ঠোকিয়ে মোটা অংকের টানা বাণিজ্য করে আসছিল। পথিমধ্যে গত কয়েকমাস আগে জেলা সিভিল সার্জন কর্মকর্তা ক্লিনিকটি পরিদর্শন করেন। এ সময় সরকারী নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন। কর্তৃপক্ষের এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে ক্লিনিকে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। রোববার সকালে সরেজমিন গেলে আশপাশ এলাকার কয়েকজন মহিলা রোগীকে ক্লিনিকে দেখা যায়। তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, বিভিন্ন রোগের অপারেশনের জন্য ভর্তি হতে তারা ক্লিনিকে এসেছেন। তবে ভিন্ন কথা বলেন ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ মন্ডল, তিনি একদিকে বলেন বন্ধের কোন নির্দেশনা নাই, অপরদিকে বলেন আমার প্রতিষ্ঠানের চলতি অর্থবছরের রাজস্ব পরিশোধ করা রয়েছে। অতএব প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ বৈধ। তবে ডাক্তার ও নার্স সমস্যার কথা তিনি স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাত কুমার দাশ জানান, গত কয়েকমাস আগে ক্লিনিকটি পরিদর্শন করে সিভিল সার্জন অফিস থেকে সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এ সংক্রান্ত চিঠি ইউএনও, ওসি সহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানোও হয়। কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি, যে নির্দেশনা উপেক্ষা করে সেখানে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ার পর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা আইন শৃংখলা সভায় বিষয়টি অবহিত করা হয়। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আবারও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য বিভাগের স্থানীয় এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

পাইকগাছায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে দুই মেডিকেল অফিসারের যোগদান

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে দুই জন মেডিকেল অফিসার যোগদান করেছেন। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনেস্থেশিয়া পদে যোগদান করেছেন ডাঃ সাদিয়া আফরিন লোপা। তিনি এর আগে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলেন। ডাঃ লোপা  খুলনা সদরের অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ও রওশানারা সিদ্দিকের মেয়ে। তিনি ২০১৩ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে বিসিএস ৩৪ তম ব্যাচে মেডিকেল অফিসার হিসাবে ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সরকারী চাকুরিতে যোগদান করেন। অনুরূপভাবে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের একমাত্র মেডিকেল অফিসার পদে যোগদান করেছেন ডাঃ নিপা রায়। তিনি এরআগে ডেপুটিশনে দাকোপে কর্মরত ছিলেন। ডাঃ নিপা রায় খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে ২০১৩ সালে এমবিবিএস পাস করে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর মেডিকেল অফিসার হিসাবে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে যোগদান করেন।

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পাইকগাছার লতা ইউনিয়ন যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছার লতা ইউনিয়ন যুবলীগের এক বর্ধিত সভা শুক্রবার বিকালে ইউনিয়ন কমিউনিটি সেন্টারে ইউনিয়ন সভাপতি বাবু লাল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এসএম শামছুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান দিবাকর বিশ্বাস, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জিএম ইকরামুল ইসলাম। পুলোকেশ রায়ের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, যুবলীগনেতা শেখ আতাউর রহমান, অহেদুজ্জামান মোড়ল, প্রণব কান্তি মন্ডল, সুকুমার বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান মিন্টু, রাজিব গোলদার, গাজী মিজানুর রহমান, সঞ্জয় মজুমদার, রাধিকা গোলদার, সাবেক ইউপি সদস্য সঞ্জয় রায়, প্রসাদ মন্ডল ও বিভাষ মন্ডল।

রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের প্রতিবাদে #### পাইকগাছায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দের সাথে পৌর ইমাম পরিষদ ও নাগরিক কমিটির মতবিনিময়

পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামী সোমবারের মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষে  উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন পৌরসভা ইমাম পরিষদ এবং নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ। শনিবার সকালে ঐক্য পরিষদের উপজেলা কার্যালয়ে সংগঠনের উপজেলা সভাপতি রবীন্দ্র নাথ রায় এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পাইকগাছা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর। ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন এর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঐক্য পরিষদের জেলা নেতা এড. অজিত কুমার মন্ডল, পৌর ইমাম পরিষদের সহ-সভাপতি মাওঃ রইসুল ইসলাম, সম্পাদক মাওঃ শামসুদ্দীন, নাগরিক কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এড. আবু সাঈদ, সম্পাদক গাজী আঃ সালাম, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এড. মোর্তাজা জামান আলমগীর রুলু, নাগরিক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সামছুল হুদা খোকন, গাজী আঃ সামাদ, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক কৃষ্ণ রায় ও ইমদাদুল হক, মোঃ আসাদুজ্জামন, ঐক্য পরিষদের উপজেলা সহ-সভাপতি মনোহর চন্দ্র সানা, প্রাণ কৃষ্ণ দাশ, সুভাষ সানা মহিম, বি সরকার, প্রমথ সানা, পঞ্চানন সানা, প্রণব সরদার, রাজিব সরদার, দেবব্রত সরকার, ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের পৌর সদস্য সচিব অপুর্ব মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক রাহুল ঘোরামী, ধর্মেনন্দ্র সরকার, হরিদাশ দত্ত, জাফরুল বাবু, শাকিল আহমেদ, অর্নব সরকার, ইসমাইল হোসেন ও এস এম সোহেল।