সোমবার, ১৬ মে, ২০১৬

বান্দরবনে বৌদ্ধ ভিক্ষু হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন পাইকগাছা উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ

পাইকগাছা প্রতিনিধিঃ
বান্দরবনে বৌদ্ধ ভিক্ষু মংস উ হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন সংগঠনের জেলা সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. অজিত কুমার মন্ডল, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল, ঐক্য পরিষদের উপজেলা সভাপতি রবীন্দ্র নাথ রায়, পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা সভাপতি সমীরণ সাধু, ঐক্য পরিষদের উপজেলা সাধারন সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, ঐক্য পরিষদের পৌরসভা সভাপতি সন্তোষ কুমার সরদার, সাধারন সম্পাদক দেবব্রত রায় (দেবু), ঐক্য পরিষদের উপজেলা সহ-সভাপতি মনোহর চন্দ্র সানা, প্রাণ কৃষ্ণ দাশ, মুরারী মোহন সরকার, সুভাষ সানা মহিম, গুরুদাস রায়, প্রণব কান্তি মন্ডল, পরিষদ নেতা গৌরঙ্গ মন্ডল, বিমল কৃষ্ণ পাল, গৌতম মন্ডল, অখিল মন্ডল, দিপংকর মন্ডল, কাউন্সিলর রবি শংকর মন্ডল, এড. পিযুষ কান্তি সরকার, চিত্ত রঞ্জন বাছাড়, অনিতা রানী মন্ডল, প্রমথ রঞ্জন সানা, বিভাসিন্দু সরকার, বিকাশ চন্দ্র মন্ডল, রিংকু রায়, অনাথ বন্ধু সরদার, হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, শংকর দেবনাথ, তপন বাইন, কৌস্তভ রঞ্জন সানা, এড. চিত্ত রঞ্জন সরকার, এড. প্রদীশ হালদার, জগন্নাথ সানা, আন্দ্রেয় ডি রোজারিও, কল্লোল মল্লিক, ইউপি সদস্য সেবানন্দ রায়, শিক্ষক সুকৃতি মোহন সরকার, শিক্ষক সুব্রত কুমার সানা, গৌতম রায়, প্রাণতোষ মন্ডল, ডাঃ নিরাপদ কবিরাজ, পরিমল কান্তি শীল, প্রণব সরদার, অসীম দাশ, দিলীপ কুমার ঢালী, মনতোষ কুমার মন্ডল, স্বপন কুমার মন্ডল, ইউনিয়ন সভাপতি/সম্পাদক যথাক্রমে বিধান ভদ্র, জগদীশ দে, তাপস কান্তি বসু, বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস, গোলক কুমার মন্ডল, স্বপন কুমার মন্ডল, নিরাপদ সরকার, প্রভাষক মনজিত মন্ডল, পঞ্চানন সানা, বিমল কৃষ্ণ সরকার, সুবোধ বাছাড়, কনেক চন্দ্র সরদার, নির্মল চন্দ্র অধিকারী, আশিষ রায় চৌধুরী, অশোক অধিকারী, ব্রজেন ঘোষ, দেবব্রত কুমার মন্ডল, পবিত্র মন্ডল, অরবিন্দু মন্ডল, নিখিল কুমার মন্ডল। নেতৃবৃন্দ অপরএক বিবৃতিতে খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি স্বপন কুন্ডর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

বিদ্যুৎ বিভ্রাট-জনভোগান্তি-১; আকাশে মেঘ জমতে দেখলেই পাইকগাছা-কয়রায় বিদ্যুৎ চলে যায়

বিগত কয়েকদিন নিউজ অফ পাইকগাছাকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করা হচ্ছিল। তারই প্রেক্ষিতে আমাদের বিশেষ প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যমতে প্রকাশ করা হলো

#বিশেষ প্রতিনিধি।। পাইকগাছাঃ আকাশে মেঘ জমতে দেখলেই জেলার পাইকগাছা-কয়রা উপজেলায় বিদ্যুৎ চলে যায়, আর সামান্য যদি ঝড়ো হাওয়া হয়েছে তো দু’এক দিনের মধ্যে আর বিদ্যুতের দেখা পাওয়া মুশকিল। অথচ বিগত দীর্ঘ প্রায় এক বছর যাবৎ বিদ্যুতের খুঁটি ও সোর্স লাইনের উন্নয়নমূলক কাজের অযুহাতে খুলনা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির অধিনস্থ পাইকগাছা জোনাল অফিসের আওতাধীন (পাইকগাছা-কয়রা’য়) দিনরাতের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিদিন ভোররাত থেকে বিকাল ৪টা-৫টা পর্যন্ত টানা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছিল। পাইকগাছা-কয়রা’র প্রায় ত্রিশ হাজার গ্রাহক বিষয়টি সহ্য করেছিল পরবর্তিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ পাবার আশায়।

#অথচ এখনও বিদ্যুৎ প্রাপ্তির পরিস্থিতি যা’ তাই’ই। বরং অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে লোডশেডিং যেন আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। অসহনীয় লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা জানান, সর্বশেষ গত শুক্রবার বিকালে আকাশে মেঘ জমে সামান্য ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে অমনি বিদ্যুৎ চলে যায়। আর টানা ১৯ ঘন্টা পর অর্থাৎ পরদিন শনিবার বেলা ১২টার দিকে বিদ্যুতের দেখা মেলে। ১৯ ঘন্টা পর বিদ্যুৎ এলেও সারাদিনই অসংখ্যবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করেছে। আর এ রিপোর্ট লেখার (সন্ধ্যা পৌনে ৭টা) সময়ও লোডশেডিং চলছিল। বিদ্যুৎ প্রাপ্তিতে চরম বৈষম্যের শিকার খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অধিনস্থ পাইকগাছা জোনাল অফিসের আওতাধীন (পাইকগাছা-কয়রা’র) প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক রীতিমত ফুঁসে উঠেছেন। প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যে বিদ্যুতের ঘন ঘন ট্রিপ ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে হাঁপিয়ে উঠেছেন মানুষজন।

স্থানীয় গ্রাহকরা বিগত কয়েকদিন নিউজ অফ পাইকগাছাকে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করে আসছিল। বিভিন্ন অভিযোগ জানা যায়, বিগত প্রায় এক বছর যাবৎ সোর্স লাইনের উন্নয়নমূলক কাজের নামে পাইকগাছা-কয়রায় বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবুও এখনও আকাশে মেঘ জমতে দেখলেই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। আর সামান্য যদি ঝড়ো হাওয়া হয়েছে তো দু’এক দিনের মধ্যে আর বিদ্যুতের দেখা পাওয়া যায়নি। সীমাহীন লোডশেডিংয়ের কারণে সরাসরি বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল এমন ব্যবসা-বাণিজ্যে ধ্বস নেমেছে। ওদিকে দিনভর পল্লী বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিং থাকা সত্বেও প্রত্যহ সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ থাকবে না এটাই যেন স্বাভাবিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রাপ্তিতে চরম বৈষম্যের শিকার পাইকগাছা-কয়রাবাসি নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

রবিবার, ১৫ মে, ২০১৬

৫ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন সম্পন্ন পাইকগাছায় ৮ ইউপির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছায়প্রথম দফা ইউপি নির্বাচনে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর ৮ ইউপিতে প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার মধ্যে ৫ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে। রোববার সকালে ২নং কপিলমুনি ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ইউপি সদস্য ইজার আলী গাজীকে ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান, মুস্তাফিজুর রহমান মিন্টুকে ২নং এবং রাশিদা বেগমকে ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। ৪নং দেলুটি ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ইউপি সদস্য রনধীর মন্ডল ১নং, শিবপদ মন্ডল ২নং ও প্রীতিলতা ঢালীকে ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। ৫নং সোলাদানা ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম, এনামুল হকের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ইউপি সদস্য বি.এম. আরিফিন ঢালী ১নং, আবু সাঈদ মোল্লা ২নং এবং কল্যাণী রাণী মন্ডল ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। ৮নং রাড়–লী ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ গোলদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ গাজী ১নং, পিযুষ কান্তি বাদী ২নং ও মর্জিনা বেগম ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১০নং গড়ইখালী ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম কেরু ১নং, ডাঃ দূর্গা দাশ মন্ডল ২নং এবং ইউপি সদস্য সীমা বিশ্বাস ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অনুরূপভাবে ৬নং লস্কর ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান কে.এম. আরিফুজ্জামান তুহিনের সভাপতিত্বে ও ৭নং গদাইপুর ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জুনায়েদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে আগামী ২/১ দিনের মধ্যে ১নং হরিঢালী ইউনিয়ন ও ৩নং লতা ইউনিয়নের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ২২ মার্চ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম দফা সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

পাইকগাছা সোলাদানা ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদের প্রথম কর্মদিবস; প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত

সোলাদানা প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদে রোববার সকালে মিলাদ মাহফিল, দোয়া অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও মিষ্টি বিতরনের মধ্যে দিয়ে প্রথম কর্মদিবস শুরু করেছেন টানা দ্বিতীয় বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক। ও একই দিনে ভোটা-ভুটির মাধ্যমে প্যানেল চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষনা করা হয়। রোববার সকালে পরিষদ মিলনায়তনে এস এম এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাছিমা বেগম ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য জেসমিন সুলতানা ৭,৮ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কল্যানী মন্ডল, ১নং ওয়ার্ড সদস্য লাভলু মালী, ২নং ওয়ার্ড সদস্য কাসেম সরদার, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য ঠাকুর দাশ মন্ডল, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আবু সাইদ মোল্যা, ৫নং ওয়ার্ড সদস্য হাফেজ আব্দুর সবুর, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য রাজেশ মন্ডল, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য সিদ্দীক শিকারী, ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য আনিচ সানা, ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য বি এম আরেফিন আলী। উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব নিরাপদ মল্লিক ও আমিরুল ইসলাম রাজু । বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ১ নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বি এম আরেফিন আলী, মোট ১২ ভোটের মধ্যে ৯ ভোট পেয়ে ২ নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আবু সাইদ মোলা, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাভলু মালী পান ৩ ভোট ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৭,৮ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কল্যানী মন্ডল ৩ নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাফেজ আব্দুস সবুর।

পাইকগাছায় বেতার শিল্পীসহ হিট স্ট্রোকে ৩ জনের মৃত্যু

পাইকগাছায় বিগত কয়েকদিন প্রচন্ড গরম অব্যহত রয়েছে। গত ৩ দিনের হিটস্ট্রোকে খুলনা বেতারের শিল্পীসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার কিয়ামউদ্দীন সরদার (৫০

) নামের এক ভ্যান চালক উপজেলার মাহমুদকাটী এলাকায় ভ্যানের উপর স্ট্রোকের শিকার হলে তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে কপিলমুনি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি উপজেলার হাবিবনগর এলাকায়। একই দিন উপজেলার কাশিমনগর এলাকায় সুব্রত বিশ্বাস (৪৫) বরগুনা এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে স্ট্রোকের শিকার হলে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কপিলমুনিতে গানের প্রশিক্ষণরত অবস্থায় স্ট্রোকের শিকার হলে সুমন দাশ (৩৫) নামের খুলনা বেতারের এক শিল্পীর মৃত্যু হয়েছে।স্থানীয়রা প্রথমমত তাকে কপিলমুনির জনৈক গোপাল ডাক্তারের চেম্বারে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে তালা হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সুমনের বাড়ি তালার কানাইদিয়া এলাকায়। সে ঐ এলাকার নিতাই দাশের ছেলে।

পাইকগাছায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর

পাইকগাছা  প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর। উল্লেখ্য পাইকগাছা পৌরসভার মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর সরকারি সফরের অংশ হিসাবে গত ৯ মে থেকে লন্ডনে অবস্থান করছেন। এদিকে গত ১১ মে সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ খবর জানতে পেরে
রোববার দুপুর পোনে ১২টায় লন্ডন থেকে মুঠোফোনে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এলাকার সকল পরীক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কি পরিমাণ শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে তাও তিনি খোজ খবর নেন।

পাইকগাছায় গলায় ওড়না পেচিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা

‪‎পাইকগাছা‬ প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় শান্তি বিশ্বাস (১৭) নামে এক কিশোরী গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আত্মহত্যাকারী শান্তি উপজেলার লস্কর গ্রামের কালিপদ বিশ্বাসের মেয়ে। থানা পুলিশ জানিয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার আশানুরুপ ফলাফল না পাওয়ায় পরিবারের উপর অভিমান করে শান্তি শনিবার রাত ১১টার দিকে পারিবারিক বাথরুমের মধ্যে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে বলে থানার এসআই প্রবীন চক্রবর্তী জানান। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয় বলে ওসি আশরাফ হোসেন জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৪ মে, ২০১৬

পাইকগাছা-কয়রায় চাহিদার তুলনায় ৪০% কমে গেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ; ভোগান্তিতে ৩০ হাজার গ্রাহক

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছা-কয়রায় প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট। দিনে ও রাতে অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া থেকে শুরু করে স্থবির হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন সকল কার্যক্রম। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় ১০-১৫ ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বিদ্যুতের জন্য। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তিতে রয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩৬ হাজার গ্রাহক। বিদ্যুতের এ সংকটের জন্য একদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। অপরদিকে সংকটের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে। সাধারণ গ্রাহকদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ সংকট পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের আওতায় বর্তমানে পাইকগাছা ও কয়রায় ৩৬ হাজারেরও অধিক গ্রাহক রয়েছে। যার মধ্যে আবাসিক ৩০ হাজার এবং অন্যান্য ৬ হাজার। এ ছাড়াও প্রতিনিয়ত কমবেশী বাড়ছে গ্রাহক সংখ্যা। গ্রাহক বাড়ার সাথে সাথে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ছে। বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর ক্রমাগত বিদ্যুতের উন্নয়ন ঘটে। একটা সময় লোর্ড শের্ডিং ছিলোনা বললেই চলে। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যার যেন অন্তনেই। বিদ্যুৎ কখন আসে কখন যাই এ নিয়ে সব সময়ই দূঃচিন্তায় থাকতে হয় গ্রাহকদের। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে কয়েক ঘন্টা পর পর বিদ্যুতের দেখা মিললেও ঝড়, বৃষ্টি হলেই উধাও হয়ে যায় বিদ্যুৎ। বিদ্যুতের জন্য কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। অপেক্ষার এ সময় অনেক ক্ষেত্রে আরো দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হয়। শুক্রবার ঝড়ের কারণে রাত সাড়ে ৯ টায় বিদ্যুৎ চলে যায় এবং পরের দিন শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বিদ্যুতের দেখা মেলে। ফলে প্রচন্ড এ গরমের মৌসুমে বিদ্যুতের জন্য অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া থেকে শুরু করে ব্যবসা, বাণিজ্য সহ স্থবির হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন সকল কার্যক্রম। এজন্য বিদ্যুৎ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে চাঁপা ক্ষোভ। বিদ্যুতের এ সংকটের জন্য অনেকেই প্রকাশ্যেই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন। অনেকেই বলছেন বর্তমান সরকারের সকল অর্জন ম্লান করে দিচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট। এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বদরুল আনাম জানান, গত কয়েক বছরে বিদ্যুতের যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রাহকের সংখ্যাও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই চাহিদা বেড়েছে বিদ্যুতের। বর্তমানে জোনাল অফিসের আওতায় প্রায় ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা রয়েছে। যার বিপরীতে চাহিদার তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ কমে গেছে ৪০%। যার কারণে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহে কিছুটা বিঘিœত হচ্ছে। তবে এ সমস্যা দীর্ঘ স্থায়ী নয় উল্লেখ করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে বলে মন্তব্য করেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থানীয় উর্দ্ধতন এ কর্মকর্তা। বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন এবং সমস্যার আশুসমাধান করবেন এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।


মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০১৬

পাইকগাছায় ইউএনও আবুল আমিনকে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান


বিশেষ প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছায় বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল আমিনকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও বিকালে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ইউএনও আবুল আমিনকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পৃথক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ শেখ কামাল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানারা খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ নাজমুল হক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহাদাত হোসেন বাচ্চু, সাপ্তাহিক সুন্দরবন বার্তার সম্পাদক মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার সরকার, মোঃ আব্দুল গফ্ফার, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এসএম বাবুল আখতার, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক স্নেহেন্দু বিকাশ, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, সহ-সভাপতি এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, বি সরকার, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, কোষাধ্যক্ষ ইমদাদুল হক, দপ্তর সম্পাদক এম আর মন্টু, আব্দুর রাজ্জাক বুলি, আবুল হাসেম, বিভূতি ভূষণ ঢালী, প্রবীর জয় ও এম আহসান উদ্দীন বাবু।

বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৫

পাইকগাছা আধুনিক চিংড়ী চাষি সুপ্রিয়া রায়ের সাফল্য

বিশেষ প্রতিনিধ।।
খুলনার সুন্দরবন সংলগ্ন দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলে জীবন জিবিকার প্রধান উৎস চিংড়ী চাষ। এ অঞ্চলের অধিকাংশ চিংড়ী চাষী অপরিকল্পিতভাবে চিংড়ী চাষ করে দিনের পর দিন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিল এবং আশানুরুপ উৎপাদন না পাওয়ায় অধিকাংশ ঘের মালিক চিংড়ী চাষের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলো। ইউ্সএআইডি এর অর্থায়নে ওয়াল্ডফিস বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়নকৃত অ্যাকুয়াকালচার ফর ইনকাম এন্ড নিউট্রিশন (এআইএন) প্রকল্পের মাধ্যমে গুনগত ও মানসম্মত এবং অধিক চিংড়ী উৎপাদনের লক্ষ্যে পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে চিংড়ী চাষিদের দল গঠনের মাধ্যমে প্রশিক্ষনের কার্যক্রম শুরু করে। পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়রের ভড়েঙ্গা গ্রামের দরিদ্র চিংড়ী চাষি সুপ্রিয়া রায় ইউএসএআইডি ফর ইনকাম এন্ড নিউট্রিশন (এআইএন) প্রকল্প থেকে প্রশিক্ষন গ্রহন করে আধুনিক চিংড়ী চাষ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান লাভ করে সে অনুযায়ী ঘের পরিচালনা শুরু করে। প্রকল্পের কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও সম্প্রসারণ সহায়ক বৃন্দের পরামর্শে ভাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চলতি বছর ১৩০ শতক ঘের থেকে ৩২৮ কেজি বাগদা ও ২০০ কেজি সাদা মাছ বিক্রয় করেছে যা প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা। সুপ্রিয়া রায় আশা করেন তিনি বাকি সময়ে আরও ২০ কেজি বাগদা ও ১শ কেজি সাদা মাছ পাবেন।  সুপ্রিয়া রায় তার এই অভাবনীয় সাফল্যের কথা উল্লেখ করে এ প্রতিবেদককে বলেন-এআইএন প্রকল্পের প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ঘেরের পানির গভীরতা বৃদ্ধি করা, তলার পঁচা কাদা তুলে ফেলা, মাটি ও পানির গুনাগুন সঠিক বজায় রাখা, নার্সারি তৈরী করা, পিসিআর পরীক্ষিত মজুত করা, সঠিক ঘনত্বে পোনা মজুদ করা এবং নিয়মিত চুন, সার, ও সম্পুরক খাদ্য প্রয়োড় করা জরুরী। তিনি আরও বলেন নিজেদেরকে আত্মস্বাবলম্বী করে চিংড়ী চাষে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।

বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৫

পাইকগাছায় রাস উৎসব উদযাপিত

প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছায় পূণঃস্না
নের মধ্যদিয়ে সনাতন ধর্মালম্বীদের রাস উৎসব উদযাপিত হয়েছে। বুধবার সকালে পৌর সদরের ৬ টি পূজা মন্দিরের উদ্যোগে শিববাটীস্থ শিবসা নদীতে পূণঃøানের মধ্যদিয়ে রাস উৎসব শুরু হয়। সাবেক কাউন্সিলর হেমেশ চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে  রাস উৎসব অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, আ’লীগনেতা ও এমপি পুত্র শেখ মনিরুল ইসলাম, উদ্ভোধক ছিলেন, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর। বক্তব্য রাখেন, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, আ’লীগনেতা শেখ কামরুল হাসান টিপু, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্ঠান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায়, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এসএম শামছুর রহমান, কাউন্সিলর শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, এসএম ইমদাদুল হক, এসএম তৈয়েবুর রহমান, আসমা আহম্মেদ, সাবেক কাউন্সিলর শাহিদা খাতুন, যুবলীগ নেতা শেখ আব্দুস সাত্তার, শেখ শহিদ হোসেন বাবুল, শেখ আলাউদ্দীন, বাবুল আখতার, শেখ জিয়াদুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও দীপংকর মন্ডল। অনুরুপ ভাবে বিকালে লতার গুণখালী নদীতে এক নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

A successful story of Improved Technology adaptation: Contemporary shrimp farming technique enhances production as well as increases income

SUCCESS STORY
Mr. Modhusudon Mondal son of Mr. Jogai Mondal is a self-motivated farmer of Ramnagor Village under Dorgapur Union of Ashashuni Upazilla in the district of Satkhira which is located in the south–West region of Bangladesh. He has been involved in shrimp farming since 2005 in 0.27 hectare own land and followed traditional culture system. But due to poor farming knowledge he didn`t get good production in the previous years from his pond. But due to lack of proper knowledge on shrimp farming maximum time he didn`t get good production and profit margin was very poor, sometimes even loss also. Day by day condition was getting worsened and was very hopeless. At th
is time he came to know about modern technology of shrimp farming. Environment friendly and planned farming technology is being provided by Aquaculture for Income and Nutrition (AIN) Project of WorldFish-Bangladesh with the financial assistance of USAID.
Now it is clear to Mr. Modhusudon that the unplanned traditional shrimp culture practice that ignores pond preparation techniques, stocking density, water quality, feeding management, other management strategies which cause disease of shrimp especially viral disease and so many environmental problems so that he didn’t get expected production.
In the beginning of 2013 Mr. Modhusudon took part in the training on Modified Traditional Technology (BMP) method of shrimp farming from the activities of AIN project. Though Mr. Modhusudon not able to get used to practice improved farming systems in the previous years perfectly but from beginning of the year of 2014 he had been started his farming systems followed by improved management namely Better Management Practice (BMP). Now Mr. Modhusudon applying knowledge that he earned from the training concerning preparing pond in a proper way, keeping proper water condition, applying feed, lime and fertilizer on a regular basis, maintaining the stocking density etc, following BMP method, last year (2014) he had able to produce 180 Kg shrimp, 7 Kg harina and 120 Kg whitefish from his 0.27 hectare pond which worth taka 98 thousand. On the other hand, this year (2015) he has produced 265 Kg shrimp, 13 Kg harina and 320 kg whitefish from that pond which total value taka 1 Lac 32 thousand which more production than the previous years but if the shrimp price rate is remained same like last year he has got more profit than last year because of better production than last year.
Now, he is very happy for getting bumper production and as a successful farmer he feels proud of it. He has expressed that it has been possible basically on account of the training program organized by AIN project. He has also been articulated that more profit is possible through BMP method of shrimp farming.
 This farmer, who had never made any profit before but now has been getting excellent profit through planned farming system of BMP from the previous years. As a result, surrounding farmers have already decided that they will apply BMP technology from next year. Mr. Modhusudon shares his experiences with his neighbor farmers and outside of his village. Now he is very happy and delighted & confident about shrimp culture.

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৫

পাইকগাছায় বখাটেদের দৌরাত্ব বৃদ্ধি; স্কুলগামী মেয়েরা উত্ত্যক্ত্যের শিকার; উদ্বিগ্ন অবিভাবক মহল

নিউজ অফ পাইকগাছা ॥
পাইকগাছায় সম্প্রতি বখাটেদের দৌরাত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। বখাটের মধ্যে অধিকাংশ্যই কলেজ পড়–য়া ছেলে। বখাটেরা বিভিন্ন সময়ে স্কুলগামি মেয়েদের নামে ফেসবুকে অশ্লীল আইডি খুলে প্রতারণা ও উত্ত্যক্ত করে আসছে। এদের অসামাজিক ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে অবিভাবক মহল। এ ব্যাপারে জনসচেতনা বৃদ্ধিসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল। উল্লেখ্য মাদক বিরোধী অভিযানে থানা পুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় গত বেশ  কয়েক মাস যাবত এলাকার আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বখাটে ছেলেদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে বখাটে ছেলেরা জৈনক এক কর্মকর্তার মেধাবী (এসএসসি পরীক্ষার্থী) মেয়ের নামে ফেসবুকে অশ্লীল আইডি খুলে চরমভাবে ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করেছে। সদ্যসমাপ্ত জেএসসি পরীক্ষার শুরুরদিকে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পৌর সদরের একটি কেন্দ্রে কয়েকজন তরুণ প্রবেশ করে পরীক্ষার্থীদের সাথে চরম অসাদাচারণ করে। পরীক্ষার মাঝামাঝি সময়ে লস্কর গ্রামের জৈনক এক জেএসসি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা শেষে ভ্যান যোগে বাড়ী ফেরার পথে সরকারী বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় পৌছালে পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা বখাটেরা তাকে গতিরোধ করে লাঞ্চিত করে। এভাবেই এলাকার কোথাও না কোথাও প্রতিনিয়ত বখাটে ছেলেরা মেয়েদের কে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে অবিভাবক মহল। এ ব্যাপারে ওসি (তদন্ত) আলমগীর কবির জানান, সামাজিক অবক্ষয় ও অবিভাবকদের অসচেতনার কারণে বখাটেরা এ ধরণের কাজ করার সুযোগ পায় তবে এ ধরণের কোন অভিযোগ পেলে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশি পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ ও জনসচেতনা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।